|| নিজস্ব প্রতিনিধি||
● দ্রুত গতির বু’লেট ট্রেনের যুগে প্রবেশ করতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। ঢাকা, নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি, কুমিল্লা হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত বু’লেট ট্রেন চালুর একটি প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে চলছে চূড়ান্ত নকশা তৈরি।
প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে, মাত্র ৫৫ মিনিটেই অন্তত ৫০ হাজার যাত্রী ঢাকা-চট্টগ্রাম যাতায়াত করতে পারবেন। ২০২২ সাল নাগাদ দেশে বু’লেট ট্রেন চালু হতে পারে বলে জানান রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন।
রেল পথে ঢাকা থেকে কুমিল্লার দুরুত্ব প্রায় ২০০ কিলোমিটার আর চট্টগ্রামের দুরুত্ব প্রায় ৩২১ কিলোমিটার। ঢাকা থেকে এতদিন কুমিল্লা যেতে সময় লাগে প্রায় ৪ থেকে ৫ ঘণ্টা।
আর ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম এই পথ যেতে সময় লাগে প্রায় ৫ থেকে ৮ ঘণ্টা। ঢাকার সাথে কুমিল্লা ও বন্দরনগরী চট্টগ্রামের যোগাযোগ আরো সহজ করতে এই রুটে বু’লেট ট্রেন চালুর পরিকল্পনা নিয়েছে সরকার।
প্রায় ৯৭ হাজার কোটি টাকার এই প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই ও কয়েকটি জায়গার মাটি পরীক্ষার কাজ শেষ। চূড়ান্ত নকশা তৈরিও শেষের দিকে।
রেলমন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন জানান, নকশা প্রণয়ন শেষ হলেই ভূমি অধিগ্রহণের কাজ শুরু হবে। দুই বছরের মধ্যে শেষ হবে প্রকল্পটির নির্মাণ।
এলিভেটেড রেলওয়ে তৈরি করে তার উপর দিয়ে চলবে দ্রুতগতির এই ট্রেন। ঢাকার কমলাপুর থেকে নারায়ণগঞ্জ, দাউদকান্দি, কুমিল্লা, লাকসাম, ফেনী ও পাহাড়তলি হয়ে ঘণ্টায় দুই থেকে আড়াইশ’ কিলোমিটার গতিতে চট্টগ্রাম যাবে বু’লেট ট্রেন।
পরে কক্সবাজার পর্যন্ত এই ট্রেন চালানোর পরিকল্পনায় রয়েছে সরকারের। খরচের দিক থেকে এটি রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রকে ছাড়িয়ে যাবে।
বর্তমানে আন্ত:নগর ট্রেনগুলোর গতি ঘণ্টায় মাত্র ৭০ কিলোমিটার। দ্রুত গতির বু’লেট ট্রেন চালু হলে, সময় কমার পাশাপশি মহসড়কে এই রুটের যাত্রী চাপ কমবে। আর বাড়বে রেলের আয়-এমন আশা রেলপথ মন্ত্রীর।