খন্দকার মোশাররফের সঙ্গে ফোনালাপকারী পাকিস্তানি  গোয়েন্দা মেহমুদকে বহিষ্কার করেছিল ভারত

99

।। ডেস্ক রিপোর্ট।।

আসন্ন একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ইস্যুতে বহুল আলোচিত ও বিতর্কিত ঘটনা বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র এজেন্ট মেহমুদের ফোনালাপ। এবার অনুন্ধানে পাওয়া গেছে এজেন্ট মেহমুদের অতীত অপকর্ম ও পরিচয়।

আইএসআই এজেন্ট মেহমুদ আক্তার ২০১৬ সালে ভারতের বিরুদ্ধে গোয়েন্দা তৎপরতায় লিপ্ত হয়েছিল। ওই বছরের অক্টোবরে বিষয়টি নজরে আসে ভারতীয় কর্মকর্তাদের। অক্টোবরের শেষ সপ্তাহে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ মেহমুদ আক্তারকে বহিষ্কার করে। মেহমুদ আক্তারকে বহিষ্কার নিয়ে তখন সংবাদ প্রকাশ করে পাকিস্তানের অন্যতম প্রধান পত্রিকা ডন।

ডন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদনের সূত্র ধরে খবর প্রকাশ করে timesofindia.com

প্রতিবেদনে বলা হয়, এজেন্ট মেহমুদ আক্তারসহ ৪ জনের ইস্যুতে তখন ভারত-পাকিস্তান সম্পর্কে টানাপোড়েন শুরু হয়। মেহমুদ আক্তার অবৈধ গোয়েন্দগিরির কাগজপত্রসহ ধরা পড়েছিল ভারতী পুলিশের হাতে। এরপরই তাকে ভারতে থেকে বহিষ্কার করা হয়।

উল্লেখ্য, এজেন্ট মেহমুদের পুরো নাম শহীদ মেহমুদ মোহাম্মদ শরীফ। সে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর একজন অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল। বর্তমানে দুবাইয়ের আল মারজান আল কাবের ট্রেডিং কোম্পানিতে কর্মরত। পাশাপাশি পাকিস্তানি গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই’র শক্তিশালী এজেন্ট।

বিস্তারিত জানতে : https://m.timesofindia.com/india/After-their-names-were-made-public-Pakistan-may-recall-four-Delhi-High-Commission-officials/articleshow/55174290.cms

খবরে আরো জানা যায়, মেহমুদ এ বছরের জুলাই মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাত বিএনপির সভাপতি জাকির হোসেনের সঙ্গে অন্তত ১১বার সাক্ষাৎ করেন। তাদের সবশেষ সাক্ষাৎ হয় গত ৭ ডিসেম্বর ২০১৮ তারিখে।

উল্লেখ্য, কয়েকদিন আগে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সঙ্গে এই মেহমুদের ফোনালাপ ফাঁস হয়। ফোনালাপের অডিও জুড়ে দিয়ে থাইল্যান্ড ভিত্তিক নিউজ পোর্টাল এশিয়ান ট্রিবিউন খবর প্রকাশ করে। এরপর বিবিসিসহ বিশ্বসেরা গণমাধ্যমগুলোতেও প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়, কিন্তু ট্র্যাকব্যাক এবং পিংব্যাক খোলা.