।। নিজস্ব প্রতিনিধি।।
চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলীকে সংবর্ধনা দিয়েছে ৭১ নং দৈয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় ম্যানেজিং কমিটি।
শনিবার বেলা ১২টায় ৭১ নং দৈয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এ সংবর্ধনা দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের সংসদ সদস্য ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত সংসদীয় কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) মো. সুবিদ আলী ভূঁইয়া।

ছবি : ৭১ নং দৈয়াপাড়া প্রাথমিক বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে আয়োজিত সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দেশের গানের সঙ্গে নৃত পরিবেশন করছেন শিশু শিক্ষার্থীরা।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশিষ্ট সমাজ সেবিকা ও শিক্ষানুরাগী মিসেস মাহমুদা ভূঁইয়া, উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও প্রবীণ সাংবাদিক হাবিব, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার নিখিল চন্দ্র বিশ্বাসসহ অন্যান্যরা।
সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে স্কুলের ম্যানেজিং কমিটির সকল সদস্য, ছাত্র-ছাত্রী ও অভিভাবকরা অংশ নেন।
উল্লেখ্য, প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে অসামান্য অবদান রাখায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০১৭ এর আওতায় ২০১৭ সালে চট্টগ্রাম বিভাগের শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী। এর আগে, তিনি পরপর দুইবার কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।

ছবি : প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে উদ্দীপনামূলক বক্তব্য রাখছেন দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী।
উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী শিক্ষার উন্নয়ন ও ছাত্রছাত্রীদের সচেতন করে তোলার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেন। এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে- দাউদকান্দি উপজেলার স্কুল-কলেজ ও মাদ্রাসার ছাত্রছাত্রীদের জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর স্মৃতি বিজড়িত ধানমন্ডি-৩২ নম্বরের জাদুঘর পরিদর্শন, অধিবেশন চলাকালে জাতীয় সংসদের কার্যক্রম প্রত্যক্ষ ও সেনাবাহিনীর সমরাস্ত্র প্রদর্শন, পরিদর্শন, স্মার্টকার্ডের মাধ্যমে ক্লাসের হাজিরা নিশ্চিতকরণ, খেলাধুলা ও সঙ্গীতের তালে তালে আনন্দঘন পরিবেশে শিশুদের শিক্ষাদানের উদ্দেশ্যে প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে খেলাধুলার সামগ্রী ও সঙ্গীতের যন্ত্রপাতি বিতরণ, প্রজেক্টরের মাধ্যমে ডিজিটাল পদ্ধতিতে পাঠদান, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ, বিভিন্ন বিদ্যালয়ের প্রতিদিনের সমাবেশ বা এসেম্বলী পরিদর্শন ও নিশ্চিতকরণ, ছাত্রছাত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে স্কুলব্যাগ ও টিফিন ক্যারিয়ার বিতরণ, বিদ্যালয়গুলোতে মনোরম পরিবেশ সৃষ্টির লক্ষ্যে বাগান করা ও বৃক্ষরোপণ করা, শিক্ষকদের হাজিরা নিশ্চিত করতে নিয়মিত স্কুল পরিদর্শনসহ বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেন তিনি।
এ ছাড়া মাল্টিমিডিয়া পদ্ধতিতে পাঠদান নিশ্চিতকরণের জন্য উপজেলার ১৪৮টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিদ্যুৎ সংযোগ নিশ্চিত করেন। পরে প্রতিটি বিদ্যালয়ে ১টি করে প্রজেক্টর, ল্যাপটপ ও এলইডি টিভি বিতরণ করেন এবং এগুলো পরিচালনা করার জন্য শিক্ষকদের প্রশিক্ষণেরও ব্যবস্থা করেন।
মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.