আমি সেনাবাহিনীতে ছিলাম। আমি স্ট্রেট কাজ বুঝি, আমি শেখ হাসিনা ছাড়া কিছু বুঝি না। আমি শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের কর্ণধার জেনারেল ভূঁইয়ার আদেশ ছাড়া নড়ি না : প্যারিসে মেজর মোহাম্মদ আলী (অব:)

0 563

কুমিল্লা জেলার শ্রেষ্ঠ উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ায় ফ্রান্স এর রাজধানী প্যারিসে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব:) মো: সুবিদ আলী ভূঁইয়া এমপি মহোদয়ের জেষ্ঠ্য সন্তান ও দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মেজর মোহাম্মদ আলী (অব:) কে সংবর্ধনা দিয়েছে বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলার ফ্রান্স প্রবাসীরা।

প্রবাসী গণ সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যের শুরুতে মেজর মোহাম্মদ আলী (অব:) উপস্থিত সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘আমি উপজেলা চেয়ারম্যান হওয়ার পর বাংলাদেশেই কোন সংবর্ধনা নেই নাই। কি কারণে আপনারা এইখানে সংবর্ধনা লিখছেন আমি খুবই বিব্রত, কারণ আমি মনে করি এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানটি না লিখে যদি মতবিনিময় সভা হতো, অথবা প্রশ্নোত্তর পর্ব, উত্তর দিবেন মেজর মোহাম্মদ আলী, তাহলে আমি আরও বেশি খুশি হতাম।

এর পর তিনি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজকদের ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ অনেক দূরে এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ এখন মধ্যম আয়ের দেশের তালিকায় উন্নীত হয়েছে। শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ নেতৃত্বে দেশ আরও এগিয়ে যাবে ।’

এসময় তিনি গ্রাম, ওয়ার্ড, ইউনিয়ন ও উপজেলা পর্যায় কিভাবে তৃণমূলে কাজ করে যাচ্ছেন তা তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফ্রান্স আওয়ামী লীগ নেতা ও ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতি সন্তান আরমানুজ্জামান আরমান। আরও বক্তব্য রাখেন অনলাইন টোয়েন্টিফোর পত্রিকার সম্পাদক আবু হাসান , প্যারিস মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিনুর রহমান ফারুক, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট বিভাগীয় নেতা জুবায়ের আহমেদ, ফ্রান্স আওয়ামী লীগের কুমিল্লা জেলার আহবায়ক ও দাউদকান্দির সিনিয়র প্রবাসী ইব্রাহিম খলিল, ফ্রান্স আওয়ামীলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বর্তমান সিনিয়র সহ-সভাপতি আবুল কাশেম, ওয়ার্ল্ড সামিট কমিটির সভাপতি ও অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের মহসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ সহ প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মেজর মোহাম্মদ আলী (অব:) দাউদকান্দিতে নানা উন্নয়নের কর্মকাণ্ডের কথা তুলে ধরে বলেন, দাউদকান্দিবাসী যারা বিএনপি করেন ঠিক আছে, আপনার মা-বাবা, ভাই-বোন, পরিবার ও আত্মীয়-স্বজনরা কিন্তু দাউদকান্দিতেই থাকে। আমি শুধু আওয়ামী লীগেরই চেয়ারম্যানই না, আমি বিএনপির ও চেয়ারম্যান, সর্বপরি আমি দাউদকান্দির সকল জনগনের চেয়ারম্যান। তিনি বলেন, আমার দায়িত্ব আপনার সমস্যা সমাধান করা। এসময় তিনি বিএনপি সমর্থদের চিন্তা-বোধকে আরও বড় করার আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কি শুধু আওয়ামী লীগের প্রধানমন্ত্রী? তিনি সমগ্র বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী, বিদেশে অবস্থানরত সকল প্রবাসীদেরও প্রধানমন্ত্রী।
তিনি আরও বলেন, আমরা বঙ্গবন্ধুর আদর্শকে লালন করি, আমরা আওয়ামী লীগ থেকে নির্বাচিত হয়েছি। এটা হচ্ছে গণতান্ত্রিক একটা প্রক্রিয়া মাত্র। কিন্তু যখন আমি চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়ে , তখন আমি জনপ্রতিনিধি হয়ে যাচ্ছি, তখন কিন্তু আমি সবার এবং ঐ লক্ষেই কাজ করছি।
এসময় তিনি উদাহরণ হিসেবে বলেন, দাউদকান্দিতে রাস্তা হচ্ছে, এখন আমরা কি ঐ চিন্তা করি যে, এই রাস্তা করলে এই রাস্তা দিয়ে আওয়ামীলীগের লোক হেঁটে যাবে, না বিএনপির লোক হেঁটে যাবে। এটা কি সম্ভব বাস্তবে? এটা কখনোই সম্ভব না। এই রাস্তা করা হচ্ছে, এই রাস্তা দিয়ে সব দলই হাঁটবে- দাউদকান্দির জনগন হাঁটবে। তাই সংকীর্ণ মন থেকে আমাদের বেরিয়ে আসতে হবে।
তিনি বলেন, এখন ২০১৭ সাল, পৃথিবী অনেক দূর এগিয়ে গেছে। আমাদের অনেক বড় চিন্তা করতে হবে। বড় কিছু করার লক্ষ্য রেখে এগিয়ে যেতে হবে।

অনুষ্ঠানের বক্তব্যে অনলাইন টোয়েন্টিফোর পত্রিকার সম্পাদক আবু হাসান বলেন, দাউদকান্দিতে আওয়ামী লীগের যে বিপ্লব ঘটেছে তা মূলত: মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার সহযোগীতা ও অক্লান্ত পরিশ্রমেই ঘটেছে। তিনি বলেন, মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়া এমপি হয়ে একজন মন্ত্রীর চেয়ে অনেক বেশি উন্নয়ন করেছেন এবং তা অব্যাহত রেখেছেন। তিনি এসময় দাউদকান্দি উপজেলার মারুকা ইউনিয়নের বিভিন্ন সমস্যার বিষয়ে বক্তব্য রাখেন এবং উপস্থিত দাউদকান্দি উপজেলা চেয়ারম্যান এর কাছে সমাধানের জন্য আশা ব্যাক্ত করেন।

প্যারিস মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম আহবায়ক ও বরিশাল বিভাগীয় কমিটির সিনিয়র সহ সভাপতি আমিনুর রহমান ফারুক তাঁর বক্তব্যে বলেন, তিনি কুমিল্লাবাসী না হয়েও কুমিল্লা-১ আসনের মাননীয় এমপি মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়া এবং ওনার সুযোগ্য সন্তান মেজর মোহাম্মদ আলীর প্রতি মুগ্ধ ও আনুগত্য হয়ে উক্ত অনুষ্ঠানে এসেছেন। তিনি বলেন, মেজর মোহাম্মদ আলীর সাথে একান্তে স্বাক্ষাতকারে জানতে পেরেছি যে, তিনি প্যারিসে ঘুরতে আসেননি, তিনি প্যারিসে অবস্থানরত দাউদকান্দি, মেঘনা, তিতাসের প্রবাসীদের সুবিধা অসুবিধা জানতে এবং শুনতে এসেছেন। তিনি এসময়, মেজর (অবঃ) মোহাম্মদ আলী মত সুযোগ্য জনপ্রতিনিধিকে কাছে পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করেন এবং তাঁকে সংবর্ধনা দিতে পেরে নিজেকে গর্বিত মনে করেন।
অনুষ্ঠানে ফ্রান্স আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও সিলেট বিভাগীয় নেতা জুবায়ের আহমেদ বলেন, মেজর মোহাম্মদ আলী (অবঃ) ফ্রান্সের সুন্দর জায়গা এবং জিনিস না দেখে ফ্রান্সে অবস্থানরত বাঙ্গালী কমিউনিটির সাথে যে মতবিনিময় করছেন এটা আমাদের জন্য অনেক আনন্দের ও সার্থকের বিষয়।

ওয়ার্ল্ড সামিট কমিটির সভাপতি ও অল ইউরোপিয়ান বাংলাদেশ এসোসিয়েশনের মহসচিব কাজী এনায়েত উল্লাহ বলেন, আমি মেজর মোহাম্মদ আলীকে ছোট বেলা থেকেই চিনি। উনি যেখানে যেটার করার দরকার সেটাই করেন এবং চাহিদা অনুযায়ী করেন। উনি সুদূর বাংলাদেশ থেকে ফ্রান্সে এসেছেন এলাকার মানুষের সাথে মতবিনিময় করার জন্য। সুবিধা-অসুবিধা জানার জন্য এবং সমস্যা সমাধানের জন্য। তিনি আরও বলেন, উনি যে লেভেলের লোক উনি চাইলে উনার পরিবার নিয়ে বিশ্বের যে কোন দেশে থাকতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেটা না করে এলাকার মানুষের কথা চিন্তুা করে নিজ এলাকাতেই রয়ে গেছেন। তিনি আরও বলেন, তরুণদের যে নেতৃত্বের বিকাশ ঘটছে তিনি তাঁর উজ্জ্বল প্রমাণ। অতএব আমাদের সকলেরই উচিত উনাকে সহযোগীতা করা। আগামীতে এমন তরুণ নেতৃত্বের মাধ্যমেই একটি সুখী ও সমৃদ্ধশালী বাংলাদেশ গড়ে উঠবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে নৌকা প্রতীকের রাজনৈতিক প্রসঙ্গ টেনে মেজর মোহাম্মদ আলী (অব:) বলেন, বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর বৃহত্তর দাউদকান্দিতে নৌকা প্রতীক নিয়ে জয়লাভ করতে পারে নাই। কিন্তু ২০০৮ সালে শেখ হাসিনা নেতৃত্বে, শেখ হাসিনার বলিষ্ঠ রাজনৈতিক বিচক্ষণতার কারনে উনি মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়াকে মনোনয়ন দিয়েছিলেন এবং জেনারেল ভূঁইয়া ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীক নিয়ে প্রথম বারের মতো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও প্রশ্নবিদ্ধ ছাড়া নির্বাচনে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে বিপুল ভোটে পরাজিত করেন।

এসময় তিনি দাউদকান্দি আওয়ামীলীগের সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এবং দেশবাসীর কাছে প্রশ্ন রাখেন – মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার আগে আর কেউ কেন নৌকা প্রতীক জয় করতে পারেনি, কেন এত বছর সময় লাগলো?
তিনি বলেন, এখানে অবশ্যই মেজর জেনারেল (অবঃ) সুবিদ আলী ভূঁইয়ার ব্যক্তিগত ইমেজ কাজ করেছে। জেনারেল ভূঁইয়া ২০০৩ সালে আওয়ামীলীগে যোগদান করায় দাউদকান্দি আওয়ামীলীগ পরিবার উজ্জিবীত হয়েছে, তরুন সমাজ উজ্জিবীত হয়েছে। তার ফলশ্রুতিতে ২০০৮ সালে নৌকা প্রতীকের জয় এসেছে। এটাই হচ্ছে বাস্তবতা।
এসময় তিনি তাঁর শৈশবের কিছু স্মৃতি তুলে ধরেন। তিনি বলেন, রাজনীতিতে আসার আমার মোটও ইচ্ছা ছিলনা। ২০১৪ সালে শেখ হাসিনা যখন জেনারেল ভূঁইয়াকে নৌকা প্রতীক দিলেন, ঠিক তখন দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে, দাউদকান্দির অনেক সিনিয়র নেতৃবৃন্দ এই নৌকার বিরোধীতা করতে শুরু করে। উনাদের এই বিরোধীতার কারণেই আমাকে রাজনীতিতে আসতে হয়েছে। উনারা আমাকে রাজনীতিতে নিয়ে আসার কারণে আজ আমি উনাদের কাল হয়ে দাঁড়িয়েছি। এজন্য আমি ক্ষমা প্রার্থী।

তিনি বলেন, আমি সেনাবাহিনীতে ছিলাম। আমি স্ট্রেট কাজ বুঝি, আমি শেখ হাসিনা ছাড়া কিছু বুঝি না। আমি শেখ হাসিনার মনোনীত নৌকা প্রতীকের কর্ণধার জেনারেল ভূঁইয়ার আদেশ ছাড়া নড়ি না।

তিনি বলেন, আওয়ামী লীগ মানেই শেখ হাসিনা। এর বাইরে কিছু নেই। এইখানে অনেক গ্রুপিং চলছে, আমি এগুলোর মধ্যে নেই। আমি শেখ হাসিনাকে বুঝি, শেখ হাসিনা যাকে মনোনয়ন দিবেন তার জন্য আমি জীবন দিয়ে দিব।

তিনি বলেন, আমি একজন সৈনিক ছিলাম, আমার ভিতরে কনফিডেন্স আছে। আমার ভিতর প্রশিক্ষণ আছে। তাই আমি মৃত্যুকে ভয় পাইনা। শেখ হাসিনার জন্য যা করা দরকার, নৌকার জন্য যা করার দারকার, দাউদকান্দিতে আমি তাই করবো।

তিনি বলেন, আমি দাউদকান্দিতে একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছি। আমি যখন দাউদকান্দি আওয়ামীলীগের রাজনীতি শুরু করি, তখন আমার মনে হলো আমরা যারা আওয়ামীলীগ করি আমাদের মধ্যে কেমন যেন একটা কনফিডেন্স এর অভাব আছে, নিজের উপর কনফিডেন্স নাই। বঙ্গবন্ধুর আদর্শ লালন করছি কিন্তু বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে জানি না। তাহলে তো কনফিডেন্সের অভাব হবেই। আমি রাজনীতিতে আসার পর প্রায় ১০৩ টি গাড়ি বহরে আনুমানিক ১২০০ নেতাকর্মীদের নিয়ে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর মাজারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাই। আমার পূর্বে কেউ এই উদ্যোগ গ্রহণ করলেন না কেন?

তিনি বলেন, রাজনীতিতে এসে আমি আরও একটি ইতিহাস সৃষ্টি করেছি। আমার উদ্যোগে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলার স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার প্রায় এক হাজার শিক্ষক এবং প্রায় সাড়ে চার হাজার শিক্ষার্থী বঙ্গবন্ধু জাদুঘর পরিদর্শন , বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ ভবন পরিদর্শন ও সংসদের অধিবেশন সরাসরি দেখার সুযোগ পেয়েছে এবং এর কার্যক্রম এখনো চলমান আছে।
তিনি বলেন, আমার নিজের এখনও সংসদের অধিবেশর সরাসরি দেখার সুযোগ হয় নাই। অথচ ক্লাশ ফাইভ থেকে শুরু করে নবম-দশম এবং কলেজের শিক্ষার্থীরা গিয়ে সরাসরি দেখেছে। সংসদে যেয়ে কিভাবে এমপি মন্ত্রীরা ভাষণ দেন, প্রধানমন্ত্রী ভাষণ দেন, নিজ এলাকার এমপি এলাকার প্রতিনিধি হিসেবে কিভাবে কথা বলেন তা দেখার সৌভাগ্য তাদের হয়। এ কাজটি করতে পেরে আমি গর্বিত। তিনি বলেন আমি যতদিন উপজেলা চেয়ারম্যান থাকবো, এই কার্যক্রম চলমান থাকবে। শিক্ষক ও শিক্ষাথীরা বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশের সঠিক ইতিহাস জানতে পারবে।

তিনি বলেন, কেউ কি বলতে পারবেন কুমিল্লার এমন কোন নেতা আছেন যে খুনি মোস্তাকের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করেছে? খুনি মোস্তাক বঙ্গবন্ধু হত্যার পর রাষ্ট্রপতি হয়েছিল । তার মানে, তিনি এই হত্যার সাথে সরাসরি জড়িত ছিলেন।
এসময় তিনি প্রশ্ন রাখেন – দাউদকান্দির কৃতি সন্তান , কুমিল্লা উওর জেলার/ দাউদকান্দিতে যারা আওয়ামী লীগের বড় বড় পদ নিয়ে দীর্ঘদিন আছেন এবং ১০০% লাভবান হয়েছেন, আওয়ামী লীগের সভাপতি, সেক্রেটারী, সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন কিন্তু জাতির পিতাকে যে হত্যা করলো তার বিরুদ্ধে একটি প্রতিবাদ অথবা মানববন্ধন অথবা কোন রাজনৈতিক কর্মসূচি কি তারা নিয়েছে?

তিনি বলেন, আমি যখন এই কর্মসূচি হাতে নিয়েছি তখন দাউদকান্দির সিনিয়র নেতারা আমাকে সহযোগীতা করেনি, অদ্যবদি করে নাই এবং করবেও না। কারণ উনারা খুনি মোস্তাকের রাজনৈতিক সহচর ছিলেন।

সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন, মেঘনা উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সেক্রেটারী আমিনুর রহমান, দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শাহ আলম কিরন, সিলেটের কৃতি সন্তান মোহাম্মাদ আলী, এনটিভি ফ্রান্স প্রতিনিধি ও নবকন্ঠ প্রত্রিকার রিপোর্টার নয়ন মামুন, বাংলাভিশন ফ্রান্স প্রতিনিধি ফয়সাল আহমেদ দ্বীপ, অনলাইন টোয়েন্টিফোর পত্রিকার সাংবাদিক হাসান মাহমুদ, দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক নেতা হাসিব ভুঁইয়া, রশিদ সরকার, জাকির হোসেন খোকন মিয়া, নাজমুল, জুয়েল, রাসেল, চৌধুরী কিরন সহ বৃহত্তর দাউদকান্দি উপজেলা তথা কুমিল্লা জেলার প্রবাসীরা সহ সমগ্র বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলার প্রবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।

উত্তর দিন

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রচার করা হবে না.