রোহিঙ্গাদের ত্রাণের নামে দাউদকান্দিতে মাদ্রাসা অধ্যক্ষের চাঁদাবাজি

490

মিয়ানমার হতে বাংলাদেশে আগত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সহায়তার নামে কুমিল্লা জেলার দাউদকান্দি উপজেলার  কাউয়াদি ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়ালের  বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ  পাওয় গেছে।

জানা যায়, ২১ সেপ্টেম্বর বৃহস্পতিবার কাউয়াদি মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আব্দুল আউয়াল মাদ্রাসার কিছু  শিক্ষকের মাধ্যমে রোহিঙ্গাদের ত্রাণ বিতরণের নামে মাদ্রাসার ছাত্র-ছাত্রী, আভিভাবক ও এলাকাবাসীর কাছ থেকে  টাকা সংগ্রহ করেছেন । নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক মাদ্রাসাটির এক  ছাত্রীর অভিভাবক জানান, ছাত্র-ছাত্রীদের কাছ থেকে জনপ্রতি ১০০ টাকা এবং এলাকার  বিত্তবানদের কাছ থেকে বিভিন্ন পরিমাণের  অর্থ নিয়েছে মাদ্রাসাটির প্রিন্সিপাল।

উল্লেখ্য, গত ১৮সেপ্টেম্বর চট্টগ্রামের বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রোহিংগা শরণার্থীদের জন্য বিভিন্ন স্থানে ত্রাণ সহায়তার নামে চাঁদাবাজি এবং ব্যবসায়ী ও বিত্তবানদের ওপর চাপ প্রয়োগ করছে। বিষয়টি অনভিপ্রেত, অনাকাঙ্খিত এবং সম্পূর্ণ বেআইনি। উল্লেখ্য, কোনো ব্যক্তি/গোষ্ঠী/প্রতিষ্ঠান/সমিতি কর্তৃক রোহিংগা শরণার্থীদের জন্য কোনো প্রকার ত্রাণসামগ্রী, আর্থিক সাহায্য বা মানবিক সহায়তা প্রদান করার ইচ্ছা পোষণ করলে আবিশ্যিকভাবে জেলা প্রশাসন কক্সবাজার/চট্টগ্রাম/ বান্দরবান–এর সাথে যোগাযোগ করার জন্য পরামশ্য দেয়া হয়েছে। অন্যথায় চাঁদাবাজির সরকার তথা আইন প্রয়োগকারী সংস্থা কর্তৃক তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এতে আরো বলা হয়, জেলা প্রশাসনকে অবহিত না করে বা সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসনের সাথে যোগাযোগ না করে বা তাদের সম্মতি ছাড়া সরাসরি কোনো রোহিংগা শিবিরে/ক্যাম্পে ত্রাণ সহযোগিতা করার অবকাশ নেই।

কিন্তু দাউদকান্দির কাউয়াদি ফাযিল মাদ্রাসার প্রিন্সিপাল আব্দুল আউয়াল ত্রাণ বিতরণে জেলা প্রশাসনকে কোনরূপ অবগত করেছেন বা অনুমতি  নিয়েছেন বলে কোন সত্যতা পাওয়া যায় নাই।  তাই আদৌ তিনি ত্রাণ বিতরণ করেছেন কিনা সে ব্যাপারে ছাত্র-ছাত্রী, অভিভাবক ও এলাকাবাসীর মাঝে সন্দিহান  সৃষ্টি হয়েছে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.