।। নিজস্ব প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার দাউদকান্দিতে- ১১তম জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০১৮, কুমিল্লা-১(দাউদকান্দি-মেঘনা) আসনের “নৌকা প্রতীকের” প্রধান সমন্বয়কারী এবং প্রধান নির্বাচনী এজেন্ট মেজর মোহাম্মদ আলী (অব.) কে হত্যার পরিকল্পনাকারীদেরকে গ্রেপ্তারের দাবিতে বিক্ষোভ করেছে স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।
-
![]()
মেজর মোহাম্মদ আলী(অব.) এর হত্যা পরিকল্পনাকারী খুনি আসলাম মিয়াজীর এবং অজ্ঞাত ব্যক্তির ফোনালাপ।
শুক্রবার (২১ ডিসেম্বর ২০১৯) সকালে স্থানীয় গোয়ালমারী বাজারে এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
গোয়ালমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন সমূহ এই কর্সসূচির আয়োজন করে।

বিক্ষোভকারী নেতাকর্মীরা জানায়,
বিগত একাদশ সংসদ নির্বাচনে ২০১৮’র সময় কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনে আওয়ামী লীগ সমর্থিত প্রার্থী মেজর জেনারেল (অব.) মোহাম্মদ সুবিদ আলী ভূঁইয়ার প্রধান সমন্বয়কারী হিসেবে দায়িত্বপালন করেন মেজর মোহাম্মদ আলী (অব.)। এসময় নির্বাচনকে বানচাল ও ব্যহত করার জন্য স্থানীয় বিএনপি-জামায়াতের ক্যাডার ও সন্ত্রাসীরা এলাকার বিভিন্ন স্থানে নৌকার নেতাকর্মীদের ওপর হামলা করে। মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের প্রার্থী ও একজন বীর মুক্তিযোদ্ধার বিপুল জনপ্রিয়তা এবং নির্বাচনী গণজোয়ারে নিশ্চিত পরাজয় জেনে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিততে বিএনপি-জামায়াতের সন্ত্রাসীরা একপর্যায়ে মেজর মোহাম্মদ আলীকে হত্যার পরিকল্পনা করে। নির্বাচনের কয়েকদিন আগে মোহাম্মদ আলী ও দৌলতপুর ইউপি চেয়ারম্যান মঈন উদ্দিনকে হত্যার জন্য ক্যাডারখ্যাত আসলাম মিয়াজী মুঠোফোনে অজ্ঞাত ব্যক্তিকে নির্দেশ দেয়। এ জন্য মোটা অংকের অর্থ দেয়া হবে বলেও জানানো হয় ওই ফোনালাপে। ফোনালাপটি ফাঁস হলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। এরপর
এরপর ২৮/১২/২০১৮ই তারিখে হত্যা পরিকল্পনার আলামতসহ দাউদকান্দি মডেল থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়। অভিযোগ করার পর ১১ মাস পেরিয়ে গেলেও আজ পর্যন্ত অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। এর প্রতিবাদে ও হত্যার পরিকল্পনাকরীদের গ্রেপ্তারের দাবি নেতাকর্মীরা এই বিক্ষোভের আয়োজন করেছে বলে জানানো হয়।

আন্দোলনে শামিল হয়ে উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক হেলাল মাহমুদ ও দাউদকান্দি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি তারিকুল ইসলাম বলেন,অনতিবিলম্বে খুনি মোস্তাক এর পেতাত্মা এবং বিএনপি নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ক্যাডার আসলাম মিয়াজীকে অনতিবিলম্বে গ্রেফতার করা না হলে লাগাতার আন্দোলন চলবে এবং মহাসড়ক অবরোধ করা হবে বলে ঘোষণা দেয়া হয়। বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ সভায় আরো উপস্থিত ছিলেন গোয়ালমারী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বুলু ভূঁইয়া, গোয়ালমারী ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক, উপজেলা যুবলীগ নেতা সুমন সিকদার, ইউনিয়ন যুবলীগ নেতা সৈনিক শাহ আলম, ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ, যুবলীগ , ছাত্রলীগ ও অন্যান্য অঙ্গ সংগঠনসমূহের নেতৃবৃন্দ।
