বিএনপির খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দাউদকান্দিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা ছাত্রলীগের

536

জাতির কাছে ক্ষমা না চাওয়ায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে দাউদকান্দিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ দাউদকান্দি উপজেলা শাখা।

বুধবার বিকালে দাউদকান্দি উপজেলায় খন্দকার মোশাররফ হোসেনের বাড়ির সামনে বিক্ষোভ প্রদর্শনের  সময় এ ঘোষণা দেয় ছাত্রলীগ। এসময় খন্দকার মোশাররফ হোসেনের কুশ পুত্তলিকা দাহ করে সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।

জানাগেছে, বিক্ষোভের সময় বাড়ির ভিতরে অবস্থানরত ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের ছোট ছেলে বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ড. খন্দকার মারুফ হোসেন পুলিশ প্রহরায় দাউদকান্দি থেকে  পলায়ন করেন।

সূত্র জানায়, সোমবার  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন একাত্তর টেলিভিশনের কাছে এক প্রতিক্রিয়ায় ২১ শে আগস্ট বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে গ্রেনেড হামলা প্রসঙ্গে বলেছেন, পৃথিবীর বহু দেশের রাজনীতিতে এরকম দুর্ঘটনা ঘটে থাকে। পুরনো ইতিহাস নিয়ে এতো আলোচনার কিছু নেই। জাতির জীবনে বহু দুর্ঘটনা ঘটে। এটা নিয়ে কোনো জাতি সারাজীবন কান্নাকাটি করেনি। বর্তমান প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এগুলো কোন বিষয়বস্তু নয়। এ বক্তব্যের প্রতিবাদে  বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার  আল্টিমেটাম দিয়ে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলাবাসীর পক্ষে দাউদকান্দি ও মেঘনা উপজেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠন সমূহের কয়েক হাজার নেতৃবৃন্দের উপস্থিতে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ  দাউদকান্দি উপজেলা শাখার সভাপতি এ্যাডভোকেট আহসান হাবীব চৌধুরী লীল মিয়া দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও দাউদকান্দি মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা  বরাবর একটি স্মারকলিপি পেশ করেছিলেন।

বিএনপি  নেতা ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন ২৪ ঘন্টার মধ্যে জাতির কাছে ক্ষমা চাওয়ার আহবানে  সাড়া না দেয়ায় উপজেলা ছাত্রলীগ  তাঁর কুশ পুত্তলিকা দাহ করে তাকে দাউদকান্দিতে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে।

 

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.