চট্টগ্রামে ইলিশের কেজি ৩০০ টাকা!

433

চট্টগ্রামে সবজির দাম কমছেই না। প্রায় এক মাস ধরেই বাজারে সবুজ সবজির দাপট চলছে।

কোনো কোনো সবজি প্রতি কেজি ৮০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। তবে মাঝারি আকারের প্রতি কেজি ইলিশ বিক্রি হয় ৩০০ টাকা। আর বড় আকারের ইলিশ ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। গতকাল চট্টগ্রামের প্রধান কাঁচা বাজার- বক্সিরহাট, রেয়াজুদ্দিন বাজার, কর্ণফুলী বাজার, বহদ্দারহাট ও চকবাজারে এ চিত্র পাওয়া যায়।

বক্সিরহাটে প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হয় ৬০ থেকে ৭০, বরবটি, শিম ৬০ থেকে ৭০, তিতকরলা ৮০, কাঁকরোল ৬০, মিষ্টি কুমড়া ৪০, বাংলা কদু ৪০, ঢেঁড়স ৬০ থেকে ৭০ ও পেঁপে ৪০ টাকা। গত এক মাস ধরে এসব সবজি একই দামে বিক্রি হচ্ছে। সবজি ক্রেতা আনাস আবরার বলেন, বন্যা ও বৃষ্টির অজুহাত দিয়ে সবজির দাম বাড়িয়ে দিয়েছে ব্যবসায়ীরা। এ নিয়ে সরকারের কোনো মাথাব্যথা নেই। প্রাকৃতিক দুর্যোগের আগে যদি চাহিদার পরিমাণ প্রয়োজনীয় সবজি গুদামজাত করা হতো এবং দুর্যোগের পর তা যদি বাজারে ছাড়া হতো তাহলে সবজির দাম এত বেশি হতো না, বললেন তিনি।

বক্সিরহাটের সবজি বিক্রেতা হামিদুল হক বলেন, ‘সবজির চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম। তাই দাম একটু বেশি। তাছাড়া দেশের বেশ কয়েকটি জেলায় বন্যার প্রভাবও পড়ছে সবজির ওপর। তবে কয়েক দিনের মধ্যে বাজারে নতুন নানা ধরনের সবজি আসবে। তখন দাম কমবে। ’

এদিকে, ইলিশের ব্যাপক আমদানিতে বাজারে স্থিতিশীল ছিল মাছের দাম। মাঝারি আকারের প্রতি কেজি ইলিশ ৩০০, বড় আকারেরগুলো বিক্রি হয় ৩৫০ থেকে ৪০০ টাকা। তাছাড়া প্রতি কেজি রুই বিক্রি হয় ২০০ থেকে ৪০০, কাতল ৩০০ থেকে ৪০০, পোয়া ১৫০ থেকে ৩০০, লইট্টা ১০০ থেকে ১২০, চিংড়ি ৪০০ থেকে ৫০০, তেলাপিয়া ১৩০ থেকে ১৫০, ফার্মের কৈ ১৫০ থেকে ২০০ ও বাটা মাছ ৪০০ টাকা।

চকবাজারের মাছ বিক্রেতা বেলাল আহমেদ বলেন, ‘বর্ষা মৌসুম হিসেবে বাজারে মাছের সরবরাহ ভালো ছিল। তাই কিছুদিন ধরে মাছের দাম স্থিতিশীল আছে। আশা করি, সামনে মাছের দাম আরও কমবে।

মন্তব্যসমূহ বন্ধ করা হয়.