২৫ ফেব্রুয়ারির পর প্রথমবার মাঠে নামলেন নেইমার। ব্রাজিলের জার্সিতে দারুণ ফেরা হলো তার।
রবিবার এনফিল্ডে ২-০ গোলে ক্রোয়েশিয়াকে হারাতে গোলও করলেন বিশ্বের সবচেয়ে দামি ফুটবলার।
দ্বিতীয়ার্ধে বদলি নেমে দলকে এগিয়ে নেন নেইমার। ৬৯ মিনিটে গোলমুখ খোলেন তিনি। ২০১৪ সালের বিশ্বকাপে একই দলের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন নেইমার। শেষ সময়ে এসে ফিরমিনো যোগ করেন দ্বিতীয় গোল।
১৯৯৫ সালের পর প্রথমবার এনফিল্ডে এসেছিল ব্রাজিল। ১৪ মিনিটে গোলও খেতে বসেছিল তারা। লিভারপুলের ক্রোয়েট তারকা দেজান লভরেনের হেড গোলবারের কয়েক ইঞ্চি পাশ দিয়ে চলে যায় মাঠের বাইরে। প্রথমার্ধ ক্রোয়েশিয়া বেশ চেপে ধরেছিল ব্রাজিলকে। অবশ্য কোনও দলই গোল পায়নি প্রথম ৪৫ মিনিট।
বিরতির পরই ফের্নান্দিনিয়োর বদলি হয়ে মাঠে নামেন নেইমার। কিন্তু ঘড়ির কাঁটা এগোতে থাকলেও গোলমুখে সুবিধা করতে পারছিলেন না পিএসজি স্ট্রাইকার। অবশেষে বিশ্বকাপ প্রতিপক্ষদের জানিয়ে দেন, তিনি ফিরে এসেছেন। বিশ্বকাপে ব্রাজিলিয়ানদের স্বস্তিতে রাখতে বদলি নামার ২৩ মিনিট পর করেন গোল।
উইলিয়ান মাঝমাঠ থেকে বল পেয়ে ফিলিপ্পে কৌতিনিয়োকে দেন। বার্সেলোনা তারকা খুঁজে পান নেইমারকে। ২৬ বছর বয়সী ফরোয়ার্ড দুজন ক্রোয়েট ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে ক্রসবারের নিচ দিয়ে বল জালে জড়ান।
এটি ছিল দেশের হয়ে নেইমারের ৫৪তম গোল। আর একটি গোল করলে পেলে ও রোনালদোর পর তৃতীয় শীর্ষ গোলদাতা হিসেবে রোমারিওর পাশে বসবেন তিনি।
ব্রাজিল একটি গোলে সন্তুষ্ট থাকেনি। ইনজুরি সময়ের তৃতীয় মিনিটে নিজের ক্লাবের ঘরের মাঠে দর্শকদের উল্লাসে মাতান ফিরমিনো। কাসেমিরোর পাস থেকে লিভারপুলের এই তারকা নিশ্চিত করেন ২-০ গোলের জয়।
আগামী রবিবার অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে শেষ প্রীতি ম্যাচ খেলবে ব্রাজিল। তারপর ১৭ জুন সুইজারল্যান্ডের বিপক্ষে বিশ্বকাপ মিশন শুরু করবে তারা।