।। ডেস্ক রিপোর্ট।।
বর্তমান দশম জাতীয় সংসদে অধিবেশন শেষ হলো সোমবার (২৯ অক্টোবর)। ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি বিএনপিসহ বড় একটি রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের ভোট বর্জনের ভেতর দিয়ে গঠিত হয়েছিল দশম জাতীয় সংসদ। নানা ঘটনায় স্মরণীয় পুরো এ সংসদে সবচেয়ে বেশি উপস্থিতি কুমিল্লার দুজন সংসদ সদস্যের। তারা হলেন- কুমিল্লা-১ (দাউদকান্দি ও মেঘনা) আসনের আওয়ামী লীগের সংসদ সদস্য ও প্রতিরক্ষা সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি মেজর জেনারেল (অব.) সুবিদ আলী ভূঁইয়া এবং কুমিল্লা-৭ (চান্দিনা) আসনের সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফ । তাঁরা দুজনই গত ২২তম অধিবেশন পর্যন্ত ৩৭৮ কার্যদিবস সংসদে উপস্থিত ছিলেন, যা সাংসদদের মধ্যে উপস্থিতির দিক থেকে সর্বোচ্চ।
এই সংসদের মাধ্যমেই প্রথম টানা দ্বিতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করার অনন্য নজির স্থাপন করেছে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের দল আওয়ামী লীগ। শুধু তাই নয়, যুদ্ধাপরাধী দল হিসেবে চিহ্নিত জামায়াতের অনুপস্থিতির কারণেও এই সংসদ ইতিহাসের পাতায় অনন্য হয়ে থাকবে।
সোমবারের সমাপনী ভাষণে সরকার ও সরকার প্রধানের প্রশংসা করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। সরকার প্রধান শেখ হাসিনার বক্তব্যেও ছিল বিরোধী দলের প্রশংসা।
সমাপনী ভাষণে রওশন বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর মমতা আছে, জনগণের জন্য। তিনি সংসদে উপস্থিত থেকে আমাদের সবাইকে কাজ করার উৎসাহ দেন।”
প্রধানমন্ত্রী শেষ হাসিনা তার বক্তব্যে বলেন, “এই সংসদে বিরোধী দলের কত কটূক্তি দেখেছি। সকলের সহযোগিতায় দেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারছি। অতীতের মতো দশম সংসদে বর্বরতা, অশালীন বাক্য শুনতে হয়নি। সংসদ সম্পর্কে মানুষের যে বিরূপ ধারণা সৃষ্টি হয়েছিল, তা দূর করে সংসদ যে দেশ, জনগণ ও জাতির স্বার্থে কাজ করে তা মানুষের মধ্যে ফিরে এসেছে। আমি এজন্য বিরোধী দলকে ধন্যবাদ জানাই।”
স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীও সমাপনী বক্তব্যে বলেন, “দুই দলের সক্রিয় অংশগ্রহণ এই সংসদ কার্যকর করায় নজির স্থাপন করেছে।”