।। নিজস্ব প্রতিনিধি।।
আর মাত্র ক’দিন বাদেই পবিত্র ঈদ উল অাযহা। আর এই পবিত্র ঈদ উল আযহার প্রধান বিষয়ই হচ্ছে পশু কোরবানীর মধ্যদিয়ে মহান আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা। এবারের ঈদে করোনা মহামারীর কারনে কোরবানির হাট কমিয়ে এনেছে প্রশাসন। ফলে ২০১৯ সালে জেলায় মোট ৭০৬ টি পশুর হাট বসলেও এবছর তা কমিয়ে ৩৭৮টি করা হয়েছে। জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা যায়, কুমিল্লা সিটি করপোরেশন ও সদর উপজেলা এলাকায় ২০ টি, সদর দক্ষিণ উপজেলায় ২৩টি, লালমাইয়ে ১টি, বরুড়ায় ৪১টি, ব্রাহ্মণপাড়ায় ২০টি, নাঙ্গলকোটে ৩২টি, মনোহরগঞ্জে ২১টি, দেবিদ্বারে ৩০টি, চৌদ্দগ্রামে ৩৫টি, লাকসামে ২১টি, দাউদকান্দিতে ২১টি, তিতাসে ১৪টি, হোমনায় ১৮টি, বুড়িচংয়ে ২৫টি, চান্দিনায় ১৫টি, মুরাদনগরে ৩৪টি ও মেঘনায় ০৭ টিসহ মোট ৩৭৮ টি কোরবানির পশুর হাট বসবে। এর মধ্যে স্থায়ী হাট রয়েছে ৩৮ টি এবং কোরবানী উপলক্ষে অস্থায়ী হাট বসবে ৩৪০টি। কোরবানির হাটের গুরুত্ব অনুযায়ী ৬৭টি হাটকে গুরত্বপূর্ণ হাট হিসেবে বিবেচনায় রেখেছে জেলা প্রশাসন। এসব হাটে ভারতীয় গরুর সমাগম ঘটতে পারে বলে জানা যায় আশংকা করা হচ্ছে। এছাড়া হাটগুলোতে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিত করতে ইজারাদারদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এদিকে কুমিল্লা জেলায় এবছর খামারী ও কৃষক পর্যায়ে ২ লাখ ৩১হাজার ৬৫৪টি পশু পালন করা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে, এবছর জেলায় চাহিদা রযেছে মোট ২ লাখ ২০হাজার ৩০২টি।
এবছর জেলায় চাহিদা অনুযায়ী পর্যাপ্ত কোরবানির পশু রয়েছে বলে জানিয়েছে জেলা প্রশাসন। এছাড়াও জনসমাগম কমাতে কোরবানির পশুর জন্য নতুন একটি অ্যাপস চালু করেছে জেলা প্রশাসন। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক মো. আবুল ফজল মীর বলেন, কুমিল্লায় কোরবানির পশুর পর্যাপ্ত মজুদ রয়েছে, করোনা দূর্যোগের কারণে সামাজিক দূরত্ব নিশ্চিতে কাজ করবে প্রশাসন। এছাড়া অনলাইনে পশুক্রয় করার জন্য অ্যাপস চালু করা হয়েছে। তাই ইচ্ছে করলে পশুর হাটে না গিয়েও ঘরে বসে পশুক্রয় করা যাবে বলেও তিনি জানান।