||নিজস্ব প্রতিনিধি||
গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়নের মাধ্যমেই দেশ একদিন উন্নত দেশে পরিণত হবে। দেশরত্ন শেখ হাসিনার “গ্রাম হবে শহর” এ অঙ্গীকারে দৃঢ় প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। এরই ধারাবাহিকতায় কুমিল্লার দাউদকান্দি উপজেলায় প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন জনগণের কাছে পৌঁছে দেয়ার বাহক হিসেবে কাজ করছেন দাউদকান্দি উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মেজর (অব.) মোহাম্মদ আলী । তার উন্নয়নমূলক উদ্যোগে বদলে যাচ্ছে দাউদকান্দির উত্তরাঞ্চলের যোগাযোগ ব্যবস্থা।
সম্প্রতি উপজেলা চেয়ারম্যান মেজর মোহাম্মদ আলী (অব.) উপজেলার ভাজরা গ্রাম পরিদর্শনে যান। এ সময় তিনি দেখেন, উপজেলা ও অন্যান্য গ্রামের সঙ্গে ভাজরার যোগাযোগের ক্ষেত্রে ট্রলার ছাড়া অন্যা কোন পথ নেই। সড়ক পথ যা ছিল বৃষ্টি ও বিভিন্ন কারণে পানিতে তলিয়ে গেছে। এ সময় এলাকাবাসীর দাবির পরিপ্রেক্ষিতে তাৎক্ষণিকভাবে অল্প সময়ের মধ্যে সিএনজি অটোরিকশা চলাচলের উপযোগী পাকা সড়ক নির্মাণ করে দেয়ার প্রতিশ্রুতি দেন মোহম্মদ আলী। এরপর দ্রুতসময়ে ৮৬ লক্ষ টাকা ব্যয়ে দাউদকান্দির বাহেরচর থেকে ভাজরা গ্রামের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করার ব্যবস্থা করেন। সম্প্রতি এই সড়ক নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। এতে ব্যাপক খুশী এলাকাবাসী।
গ্রামবাসী জানান, এলাকার উন্নয়নে মেজর মোহাম্মদ আলী(অব.)এর বিকল্প আর কেউ নেই। তিনি ওয়াদা দিয়ে খুব অল্প সময়ে রাস্তার কাজ শুরু করে দিয়েছেন। তাই আমরা এলাকাবাসী খুব খুশি। আশা করি, তিনি পুনরায় নৌকা প্রতীক নিয়ে নির্বাচিত হয়ে জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখবেন।
দাউদকান্দি সদর উত্তর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ইঞ্জিনিয়ার আব্দুস ছালাম বলেন, দাউদকান্দির সদর উত্তর ইউনিয়ন চরাঞ্চল বেষ্টিত অবহেলিত ইউনিয়ন। মেজর মোহাম্মদ আলী(অব.) উপজেলা চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর তার তত্ত্বাবধানে ইউনিয়নের অনেক উন্নয়ন হয়েছে। এ অঞ্চলে স্কুল-কলেজ ,মাদ্রাসা, রাস্তাঘাট উন্নত হয়েছে ও হচ্ছে।
ভাজরা গ্রামের বাসিন্দা ও বর্তমানে মালদ্বীপ প্রবাসী ইয়েস বাংলা সমিতির প্রতিষ্ঠাতা মুখলেছ মুঠোফোনে বলেন, দাউদকান্দি উপজেলার ভাজরা সবচেয়ে অবহেলিত গ্রাম ছিল, যেখানে আসা যাওয়ার জন্য নৌযান ছাড়া কোন পথ ছিল না। বাহেরচর-ভাজরা গ্রামের সংযোগ সড়ক নির্মাণ করার ব্যবস্থা করায় আমরা আনন্দিত। এখন গ্রামবাসী সড়ক পথে উপজেলা সদরে যেতে পারবে। মোহাম্মদ আলী ভাইয়ের মত উপজেলা চেয়ারম্যান বারবার দেখতে চাই।