প্রমিজ ডে তে ব্যতিক্রমী প্রমিজ করালেন জুরানপুর কলেজের শিক্ষক কামাল হোসেন

অাজকের দিনটিকে উঠতি বয়সী ছেলেমেয়রা ‘প্রমিজ ডে’ হিসেবে পালন করছে। তবে এসব তরুন-তরুনীদের অনেকেই দিনটিকে নিজ নিজ প্রেমিক বা প্রেমিকার মধ্যে প্রমিজ ডে হিসেবে পালন করছে। ছেলেমেয়েদের মধ্যে এরুপ একতরফা প্রমিজ লক্ষ্য করে তাদেরকে ব্যতিক্রমী এক প্রমিজ করান জুরানপুর অাদর্শ বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের সহকারি অধ্যাপক ও ইংরেজি বিভাগের প্রধান জনাব মো: কামাল হোসেন।

এ জন্যে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেইসবুককেই বেছে নেন। “অাজ যদি প্রমিজ ডে হয় তবু চলুন প্রমিজ করি বাবা-মায়ের অবাধ্য হবো না” তার এমন এক ফেইসবুক ষ্ট্যাটাসে অজস্র ছাত্র-ছাত্রী ও পেশাজীবীরা শপথ করেন। তাদের মধ্যে মা হারানো অাক্তার হোসেন লিখেছেন- কখনো বাবা মায়ের অবাধ্য হইনি; কিন্তুু মা অামার স্বপ্নে স্বপ্নেই চলে যান।

চাকুরীজীবী ইব্রাহিম সরকার, সংবাদ পাঠিকা তানিয়া তানি, ছাত্র শিমুল হোসেন জয়, গৃহিণী ও ছাত্রী অাফসানা প্রধান, রেজাউল করিম ফাহিমসহ অনেকে কমেন্ট করেছেন, প্রমিজ করলাম।

কলেজ শিক্ষক সাইফুর রহমান লিখেছেন- অামিন। ইসতিহাক মামুন ও সাহাদাৎ লিখেছেন, অাজকে প্রমিজ করলাম কখনো বাবা মা’র অবাধ্য হবো না। কাজী সাদেক লিখেছেন- ইনশাঅাল্লাহ। অাদনান হাবিব লিখেছেন- প্রমিজ করলাম বাবা মাকে অবজ্ঞা করবো না। হানিফ নামের একজন প্রমিজ করেছেন কখনো মা বাবার অবাধ্য হবেন না। মালয়েশিয়া থেকে সারওয়ার রুবেল প্রমিজ করেছেন বাবা মায়ের অবাধ্য হবেন না। ঢাকা হাইকোর্টের অাইনজীবী বেনজির সাকিনা বেনজু অাফসোস করে বলেছেন- বাবা-মা তো নাইরে বন্ধু। উক্ত অাইনজীবীকে সমবেদনা জানিয়ে শামা চৌধুরীও নিজের এতিম অবস্থানকে তুলে ধরেছেন।

মূলত: ব্যতিক্রমী এ ষ্ট্যাটাসে তিনি মা-বাবার প্রতি সন্তানদের কমিটমেন্টকে স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন।