||শাহিন আহমেদ|| কুমিল্লার দাউদকান্দিতে এক অসহায় মা’য়ের পাশে দাঁড়ালেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান। মেয়ের বিয়েতে আর্থিক সহায়তার হাত বাড়িয়ে দিয়ে প্রসংশায় ভাসছেন তিনি।
সোমবার (০৭ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় দাউদকান্দি উপজেলার পদুয়া ইউনিয়নের সোনাকান্দা গ্রামের ষাটোর্ধ্ব বৃদ্ধা মা মাকসুদা বেগম ও দিনমজুর পিতা মালেক সরকারের একমাত্র কন্যার বিয়ের খরচ যোগাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন তারা। পরে খবর পেয়ে বিয়ে উপলক্ষে নগদ অর্থ নিয়ে পাশে দাঁড়ান দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান। এসময় উপস্থিত ছিলেন, পদুয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এসএম মনির হোসেন।
আর্থিক সহায়তা পেয়ে মাকসুদা বেগম বলেন, অনেক কষ্ট করে নিজের চার ছেলে এবং এক কন্যা সন্তানকে বড় করেছি। ছেলেরা ছোটখাটো কাজ করে সংসার চালায় ও অসুস্থ বাবার চিকিৎসার ব্যয়ভার বহন করে। করোনা ভাইরাসের কারণে সবার কাজকর্ম বন্ধ হয়ে যাওয়ায় অনেক কষ্টের মধ্যে তাদের সংসার চলছিল। এরমধ্যে ভালো পাত্র পাওয়ায় মেয়ের বিয়ে ঠিক করেছি, কিন্তু বিয়ের আনুষাঙ্গিক খরচ করার মত টাকা পয়সা না থাকায় মেয়ের বিয়ে দিতে পারছিলাম না। এমন অবস্থায় ইউএনও স্যারের কাছ থেকে আর্থিক অনুদান পেয়েছি। এখন আর মেয়ের বিয়ে দিতে কোন কষ্ট হবে না।
এবিষয়ে দাউদকান্দি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম খান বলেন, পদুয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান এসএম মনির হোসেনের মাধ্যমে সন্ধ্যায় এক অসহায় বৃদ্ধা মা আসেন তার মেয়ের বিয়ের আনুষাঙ্গিক খরচের জন্য আর্থিক অনুদান চাইতে। ফলে মানবিক দৃষ্টিকোন থেকে তাৎক্ষণিক ওই বৃদ্ধা মাকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করেছি এছাড়া ইউপি চেয়ারম্যানকে নির্দেশনা প্রদান করেছি সব রকমের সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দিতে।