বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে কম্বোডিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দু’দেশের সমৃদ্ধির লক্ষ্যে বাংলাদেশে বিনিয়োগে এগিয়ে আসতে কম্বোডিয়ার ব্যবসায়ীদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন।

প্রধানমন্ত্রী সোমবার বিকেলে কম্বোডিয়ার হোটেল সোফিটেলে বাংলাদেশ-কম্বোডিয়া বাণিজ্য সংলাপে প্রধান অতিথির ভাষণে বলেন, আসুন দু’দেশের মানুষের সমৃদ্ধির অন্বেষায় আমরা অংশীদার হই এবং একসঙ্গে দু’দেশের কোটি কোটি মানুষের জীবনের পরিবর্তন আনতে উদ্যোগী হই।

প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, ঐতিহ্যগতভাবে বাংলাদেশ অধিকাংশ আসিয়ান দেশের সঙ্গে বাণিজ্য ও অন্যান্য সম্পর্কে সম্পর্কিত। বাংলাদেশ নিজেকে দক্ষিণ এশিয়ার এবং দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার মধ্যে সংযোগের স্থল সেতু (ল্যান্ড ব্রিজ) হিসেবে গণ্য করে এবং আসিয়ান প্রতিবেশীদের সঙ্গে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণে বিশেষ গুরুত্ব দেয়। বাংলাদেশ ও কম্বোডিয়ার মধ্যকার বার্ষিক দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য খুবই ন্যূনতম যা বছরে ১০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারেরও কম। এতে প্রকৃত অর্থে বলিষ্ঠ কোন সম্ভাবনার প্রতিফলন নেই। অন্যান্য আসিয়ান দেশের সঙ্গে আমাদের বাণিজ্য দ্রুত সম্প্রসারিত হচ্ছে। আমি আশা করি কম্বোডিয়ার ক্ষেত্রেও এর প্রতিফলন ঘটবে। ক্রয় ক্ষমতার সমতার দিক থেকে বাংলাদেশ বর্তমানে ৩৩তম বৃহৎ অর্থনীতির দেশ। কৃষি খাতের বর্তমান অবস্থা হচ্ছে যে, এই খাত ক্রমান্বয়ে আধুনিক, প্রক্রিয়াজাত ভিত্তিক, বহুমুখী ও লাভজনক হয়ে উঠছে।

কম্বোডিয়ার চেম্বার অব কমার্স আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে কম্বোডিয়ার বাণিজ্যমন্ত্রী প্যান সোরাসাক ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ এইচ মাহমুদ আলী বিশেষ অতিথি ছিলেন।

এছাড়া কম্বোডিয়ার চেম্বার অব কমার্সের সভাপতি কিথ মের এবং ফেডারেশন অব বাংলাদেশ চেম্বারস এ্যান্ড কমার্স এ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজের (এফবিসিসিআই) শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করেন। এতে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন থাইল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত সাদিয়া মুনা তাসনিম।

শেয়ার করুন:

Related posts